Job

বাংলা সাহিত্যের আধুনিক যুগ (১৮০১ খ্রি-বর্তমান)

- বাংলা - বাংলা সাহিত্য | NCTB BOOK
4.7k

বাংলা সাহিত্যে আধুনিক যুগের শুরু প্রায় সুনিশ্চিতভাবেই ১৮০০ খ্রিস্টাব্দ থেকে ধরা হয়। এ যুগ নানা দিক থেকে বাংলা সাহিত্যের বিকাশ, সমৃদ্ধি হওয়ার যুগ; বিশ্ব দরবারে বাংলা ভাষা ও সাহিত্য সুবিখ্যাত ও সমাদৃত হওয়ার যুগ।

আঠারো শতকের শেষার্ধে ও উনিশ শতকের শুরুতে রাষ্ট্রিক, আর্থিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক পরিবর্তনের প্রতিক্রিয়া সাহিত্যে দৃশ্যমান হয় এবং বাংলা সাহিত্যে নতুন রাগিণীর সূচনা ঘটে। পাশ্চাত্য শিক্ষা, সভ্যতা, জ্ঞান-বিজ্ঞান প্রভৃতির সংস্পর্শে এসে নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হল আধুনিক যুগে। এ যুগের প্রতিভূ হলো গদ্য সাহিত্য। প্রাচীন ও মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যের বিষয় ছিল ধর্ম অথবা রাজবন্দনা আর আঙ্গিকে ছিল কেবলই কবিতা। কিন্তু আধুনিক যুগে গদ্যের বিকাশের সাথে সাথে বাংলা সাহিত্যের নব নব শাখা বিস্তৃত হলো। এ সময়ে মানবতাবোধ, যুক্তিবাদ, সমাজসচেতনতা ও ব্যক্তিস্বাতন্ত্র্যবাদ, গদ্যের প্রতিষ্ঠা স্বদেশপ্রেম, রোমান্টিক দৃষ্টি প্রভৃতি বৈশিষ্ট্য সাহিত্যে মূর্ত হয়ে উঠে।

আধুনিক যুগের সাহিত্যের বৈশিষ্ট্য আত্মত্মচেতনা, জাতীয়তাবোধ ও মানবতার জয়জয়কার।

সাহিত্যে আধুনিক যুগ শুরু হয় ১৮০১- বর্তমান। প্রকৃতপক্ষে আধুনিক যুগ শুরু হয় ১৮৬০ সালের দিকে মাইকেল মধুসূদনের আবির্ভাবের মাধ্যমে।

Content added By
Content updated By

# বহুনির্বাচনী প্রশ্ন

ব্যক্তিগত আবেগ
ব্যক্তিস্বাতন্ত্র্য
ব্যক্তিত্বের পারস্পরিক দ্বন্দ্ব
ব্যক্তিগত অতীত মুগ্ধতা

বাংলা গদ্যের উৎপত্তি

2.3k

বাংলা সাহিত্যে গদ্যের সূচনা হয় উনিশ শতকে। ড. সুকুমার সেন বাংলা গদ্য সাহিত্যের উদ্ভব ও বিকাশ কালকে ৪ ভাগে ভাগ করেছেন। যথা:

স্তর

সময়কাল

প্রথমসূচনা - ষোড়শ শতাব্দী থেকে ১৮০০ সাল পর্যন্ত।
দ্বিতীয়উন্মেষ - ১৮০০ (শ্রীরামপুর মিশন) থেকে ১৮৪৭ সাল পর্যন্ত।
তৃতীয়অভ্যূদয় - ১৮৪৭ (বিদ্যাসাগর) থেকে ১৮৬৫ সাল পর্যন্ত।
চতুর্থপরিণতি - ১৮৬৫ (বঙ্কিমচন্দ্র) থেকে বর্তমান .......

বাংলা গদ্যসাহিত্যের প্রাথমিক নিদর্শন

১৫৫৫ সালে আসামের রাজাকে কোচবিহারের রাজার একটি পত্রকে প্রাথমিক নিদর্শন ধরা হয়।

বাংলা গদ্যসাহিত্যের প্রাথমিক প্রচেষ্টা

১৭৪৩ সালে পর্তুগালের রাজধানী লিসবন থেকে প্রকাশিত ঢাকার ভূষনার জমিদারপুত্র দোম অ্যান্টনিও রচিত 'ব্রাহ্মণ রোমান ক্যাথলিক সংবাদ'। এটি বাঙালির লেখা প্রথম মুদ্রিত গ্রন্থ।

বাংলা কথ্য ভাষার আদি গ্রন্থ

মনোএল দা আসসুম্পসাঁওয়ের রোমান লিপিতে লেখা 'কৃপার শাস্ত্রের অর্থভেদ'। তাঁর রচিত অন্য বইটি হলো 'ভোকাবুলারিও এম ইদিওমা বেনগোল্লা ই পোরতুগিজ' (১৭৪৩)।

বাংলা ভাষায় মুদ্রিত প্রথম গদ্যগ্রন্থ

১৮০০ সালে শ্রীরামপুর মিশন প্রেস থেকে মুদ্রিত মথি রচিত 'মিশন সমাচার'।

Content added By

# বহুনির্বাচনী প্রশ্ন

সেলিনা হোসেন
জাহানারা বেগম
আখতারুজ্জামান ইলিয়াস
রশীদ করিম
গৌর দাস
চার্লস উইলকিন্স
পঞ্চানন কর্মকার
গঙ্গাকিশোর ভট্টাচার্য
সংস্কৃত ভাষা বর্জিত বাংলা ভাষার প্রচলন
সংস্কৃত ভাষাদর্শ ও বাংলা গদ্যরীতির সার্থক সমন্বয়
বাংলা ভাষার সাধুরীতির ও চলিতরীতির স্বার্থক সমন্বয়
চলিতরীতির প্রচলন
বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত
প্রমথ চৌধুরী
বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত
প্রমথ চৌধুরী

শ্রীরামপুর মিশন ও ছাপাখান

1.8k

শ্রীরামপুর মিশন ভারতে খ্রিষ্টানদের নিজস্ব প্রথম প্রচার সংঘ। ১৭৯৩ সালে উইলিয়াম কেরী খিস্টধর্ম প্রচারের উদ্দেশ্যে বাংলায় আসেন। তিনি উইলিয়াম ওয়ার্ড ও জোশুয়া মার্শম্যানের সহায়তায় ডেনমার্কের শাসনাধীন পশ্চিমবঙ্গের হুগলী জেলার শ্রীরামপুরে ১০ জানুয়ারি, ১৮০০ সালে 'শ্রীরামপুর মিশন' প্রতিষ্ঠা করেন। ঐ বছরের মার্চ মাসে শ্রীরামপুর মিশনের প্রেস প্রতিষ্ঠিত হয়। ১৮০৮ সালে মিশনের মালিকানা ডেনিশদের হাত থেকে ইংরেজদের হাতে চলে যায়। শ্রীরামপুর মিশন থেকে পরবর্তীতে 'রামায়ণ', 'মহাভারত' সহ একাধিক পুস্তক প্রকাশিত হয়। ১৮১৮ সালে এ মিশন থেকে 'দিকদর্শন' ও ‘সমাচার দর্পন’ নামে দুটি পত্রিকা প্রকাশিত হয়। ১৮৪৫ সালে শ্রীরামপুর মিশন বন্ধ হয়ে যায় কিন্তু এ প্রেস ১৮৫৫ সাল পর্যন্ত চালু ছিল।

১৭৭৭ সালে জেমস হিকি নামের একজন ভাগ্যান্বেষী প্রথম কাঠের প্রেস তৈরি করে বাংলায় মুদ্রণ ব্যবসা চালু করেন। ওয়ারেন হেস্টিংস এর অনুরোধে ব্রাসি হ্যালহেড বাংলা ব্যাকরণের বই লিখার পর ছাপার যন্ত্র বা বাংলা মুদ্রণ হরফ না থাকায় হেস্টিংস তাঁর অধীনস্ত কর্মচারী চার্লস্ উইলকিন্সকে হরফ তৈরির নির্দেশ দেন। উইলকিন্স পরে পঞ্চানন কর্মকারের সহায়তায় বাংলা মুদ্রণ হরফ তৈরি করেন। ইংরেজরা ছাপাখানা তৈরি করেছিলেন প্রথমত ইংরেজ কর্মচারীদের বাংলা শেখানোর বই ও অভিধান প্রকাশ এবং দ্বিতীয়ত বাইবেলের অনুবাদ প্রকাশের জন্য।

  • ভারতীয় উপমহাদেশে ছাপাখানা প্রতিষ্ঠিত হয় ১৪৯৮ সালে গোয়ায় (এটি ছিলো পর্তুগিজ ভাষার মুদ্রণযন্ত্র)।
  • ১৭৭৮ সালে চার্লস্ উইলকিন্স হুগলিতে প্রথম বাংলা ছাপাখানা প্রতিষ্ঠিত করেন। তিনি নিজেই বাংলা অক্ষরের নকশা তৈরি করেন বলে তাঁকে বাংলা মুদ্রাক্ষরের জনক বলা হয়।
  • বাংলা অক্ষর খোদাই করেন পঞ্চানন কর্মকার।
  • ১৮০০ সালে উইলিয়াম কেরী জোশুয়া মার্সম্যানের সহযোগিতায় শ্রীরামপুর মিশনে মুদ্রণ যন্ত্র স্থাপন করেন।
  • শ্রীরামপুর মিশন থেকে প্রকাশিত হয়:
    • গ্রন্থ: 'রামায়ণ', 'মহাভারত' ইত্যাদি।
    • পত্রিকা: 'দিকদর্শন', 'সমাচার দর্পণ' প্রভৃতি।
  • বাংলাদেশে প্রথম ছাপাখানা প্রতিষ্ঠিত হয় ১৮৪৭ সালে রংপুরে 'বার্তাবহ যন্ত্র' নামে ছাপাখানা প্রতিষ্ঠিত হয়।
  • ঢাকায় ছাপাখানা প্রতিষ্ঠিত হয় ‘বাংলা প্রেস’- ১৮৬০ সালে । এখান থেকেই দীনবন্ধু মিত্রের 'নীলদর্পণ' প্রকাশিত হয়।
Content added || updated By

ফোর্ট উইলিয়াম কলেজ

1.9k

বাংলা গদ্যের বিকাশে ফোর্ট উইলিয়াম কলেজের অবদান বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য। বাংলায় কর্মরত ইস্ট-ইন্ডিয়া কোম্পানির ব্রিটিশ অফিসারদের দেশিয় ভাষা শিক্ষা দেয়ার উদ্দেশ্যে লর্ড ওয়েলেক্সি কর্তৃক ৪ মে, ১৮০০ সালে ফোর্ট উইলিয়াম কলেজ প্রতিষ্ঠিত হয়। এতে বাংলা বিভাগ চালু হয় ২৪ নভেম্বর, ১৮০১ সালে। বাংলা বিভাগের প্রধান হিসেবে যোগ দেন শ্রীরামপুর মিশনের পাদ্রি এবং বাইবেলের অনুবাদক বাংলায় অভিজ্ঞ উইলিয়াম কেরী। ১৮১৭ সালে হিন্দু কলেজ প্রতিষ্ঠিত হলে এ কলেজের গুরুত্ব হ্রাস পায়। রাজা রামমোহন রায়ের সাহিত্যিক প্রভাবে ফোর্ট উইলিয়াম কলেজের বাংলা বিভাগের মহিমা ধীরে ধীরে বিলীয়মান হয় এবং ১৮৫৪ সালে লর্ড ডালহৌসির সময়ে কলেজটি বন্ধ হয়ে যায়।

  • বাংলায় কর্মরত ইস্ট-ইন্ডিয়া কোম্পানির ব্রিটিশ অফিসারদের দেশিয় ভাষা শিক্ষা দেয়ার উদ্দেশ্যে লর্ড ওয়েলেস্স্সি কর্তৃক ৪ মে, ১৮০০ সালে কলকাতার লালবাজারে ফোর্ট উইলিয়াম কলেজ প্রতিষ্ঠিত হয়। এতে বাংলা বিভাগ চালু হয় ১৮০১ সালে। কলকাতার ফোর্ট উইলিয়াম কমপ্লেক্সের নামকরণ করা হয়েছে ইংল্যান্ডের রাজা তৃতীয় উইলিয়ামের নামে। আর এ কমপ্লেক্সের অভ্যন্তরে কলেজটি প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল বলে এর নাম হয় ফোর্ট উইলিয়াম কলেজ।

ফোর্ট উইলিয়াম কলেজে বাংলা বিভাগ চালুর মূল উদ্দেশ্য

বাংলায় কর্মরত ইস্ট-ইন্ডিয়া কোম্পানির ব্রিটিশ অফিসারদের বাংলা শিক্ষা দেয়া।

ফোর্ট উইলিয়াম কলেজ বন্ধ হয় ১৮৫৪ সালে ।

ফোর্ট উইলিয়াম কলেজে বাংলা বিভাগের প্রধান হিসেবে যোগ দেন শ্রীরামপুর মিশনের পাদ্রী ও বাইবেলের অনুবাদক উইলিয়াম কেরী। বাংলা গদ্য বিকাশের যুগে ১৮০১-১৮১৫ সাল পর্যন্ত মোট ৮ জন লেখক ১৩টি বাংলা গদ্য পুস্তক রচনা করেছিলেন। এ ৮ জনের অধিকাংশই ফোর্ট উইলিয়াম কলেজের সাথে সম্পৃক্ত ছিলেন।

বাংলা গদ্যের বিকাশে ফোর্ট উইলিয়াম কলেজের ভূমিকাঃ

বাংলায় কর্মরত ইস্ট-ইন্ডিয়া কোম্পানির ব্রিটিশ অফিসারদের দেশীয় ভাষা শিক্ষা দেয়ার উদ্দেশ্যে লর্ড ওয়েলেট্সি কর্তৃক ৪ মে, ১৮০০ সালে কলকাতার লালবাজারে ফোর্ট উইলিয়াম কলেজ প্রতিষ্ঠিত হয়। এতে বাংলা বিভাগ চালু হয় ১৮০১ সালে। কলেজটি ইংরেজদের ব্যক্তিগত স্বার্থসিদ্ধির লক্ষ্যে চালু হলেও উপজাত হিসেবে বাংলা গদ্য বিকাশে এটি ব্যাপক অবদান রেখেছিল। এ কলেজের বাংলা বিভাগে নিযুক্ত পণ্ডিতগণের মাধ্যমে মূলত বাংলা গদ্যসাহিত্য চর্চার পথ সুগম হয়। বিশৃঙ্খল গদ্যের রূপ ও রীতিকে শৃঙ্খলাবদ্ধ করা, গদ্যের প্রচলিত রূপ দলিল-দস্তাবেজ, চিঠিপত্র, বৈষ্ণব ও সহজিয়া সাধকদের ধর্মীয় পুস্তিকা থেকে গদ্যকে সাহিত্যের মানদণ্ডে উৎকর্ষ সাধন করা এবং পুস্তক আকারে তা রূপদান করা প্রভৃতি কার্যক্রম এ কলেজের পণ্ডিতদের মাধ্যমে সূত্রপাত ঘটে। কলেজটিতে বাংলা বিভাগ চালুর পর পাঠ্যপুস্তকের অভাব পরিলক্ষিত হয়। এ অবস্থা থেকে পরিত্রাণের লক্ষ্যে উইলিয়াম কেরীসহ মোট ৮জন লেখক ১৩টি বাংলা গদ্যপুস্তক রচনা করেন, যার মাধ্যমে বাংলা গদ্য সাহিত্যের পরিপূর্ণ বিকাশ সাধনের পথ উন্মুক্ত হয়। কেরী বাংলা ভাষার কথ্যরীতির প্রথম নিদর্শন 'কথোপকথন' রচনা করেন। একাধিক মানুষের মুখের সাধারণ কথা বা কথোপকথন এ গ্রন্থের উপজীব্য। তিনি 'ইতিহাসমালা' নামে একটি গ্রন্থ রচনা করেন, যা বাংলা ভাষার প্রথম গল্পগ্রন্থ। রামরাম বসু রচিত রাজা প্রতাপাদিত্য চরিত্র ও লিপিমালা; মৃত্যুঞ্জয় বিদ্যালঙ্কার রচিত বত্রিশ সিংহাসন, হিতোপদেশ, রাজাবলী, বেদান্তচন্দ্রিকা, প্রবোধচন্দ্রিকা; হরপ্রসাদ রায় রচিত পুরুষ পরীক্ষা; গোলকনাথ শর্মা রচিত হিতোপদেশ; চণ্ডীচরণ মুনশি রচিত তোতা ইতিহাস প্রভৃতি গদ্যগ্রন্থ বাংলা গদ্য সাহিত্যের বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

উইলিয়াম কেরীর গ্রন্থ রচনাঃ

  • 'কথোপকথন' (১৮০১): এটি বাংলা ভাষার কথ্যরীতির প্রথম নিদর্শন, যা ৩১টি অধ্যায়ে বিন্যস্ত। গ্রন্থটি শতভাগ মৌলিক নয়। এটি দ্বিভাষিক (বাংলা ও ইংরেজি) গ্রন্থ।
  • 'ইতিহাসমালা' (১৮১২): এটি বাংলা ভাষার প্রথম গল্পগ্রন্থ। বিভিন্ন উৎস থেকে প্রায় ১৫০টি গল্প সংগ্রহের পর তা অনুবাদ করে এ গ্রন্থে সংকলিত করা হয়েছে।
  • 'এ গ্রামার অব দ্য বেঙ্গলি ল্যাঙ্গুয়েজ' (১৮০১)।

কেরী সাহেবের মুন্সি বলা হতো রামরাম বসু কে । কারণ, তিনি ১৭৯৩-১৭৯৬ পর্যন্ত উইলিয়াম কেরীকে বাংলা শেখান।

রামরাম বসুর সাহিত্যকর্মসমূহ

  • 'রাজা প্রতাপাদিত্য চরিত্র' (১৮০১): এটি বাঙালির লেখা বাংলা অক্ষরে প্রথম মুদ্রিত গ্রন্থ। বাংলা গদ্যে প্রথম জীবনচরিত।
  • 'লিপিমালা' (১৮০২): প্রথম বাংলা পত্রসাহিত্য। এটি ৪০টি লিপি বা চিঠির সংকলন।
ফোর্ট উইলিয়াম কলেজের পণ্ডিতদের রচনাবলি

রচয়িতা

সাহিত্যকর্ম

মৃত্যুঞ্জয় বিদ্যালঙ্কার

[ফোর্ট উইলিয়াম কলেজের পণ্ডিতদের মধ্যে তিনি বেশি পুস্তক রচনাকারী]

'বত্রিশ সিংহাসন' (১৮০২), 'হিতোপদেশ' (১৮০৮), 'রাজাবলী' (১৮০৮), 'বেদান্তচন্দ্রিকা' (১৮১৭), 'প্রবোধচন্দ্রিকা' (১৮৩৩)। (প্রথম ৪টি গ্রন্থ সংস্কৃত থেকে অনূদিত। তবে অনুবাদে নিজস্ব বৈশিষ্ট্য প্রয়োগ করেছেন)।
রাজীবলোচন মুখোপাধ্যায়'মহারাজ কৃষ্ণচন্দ্র রায়স্য চরিত্রং (১৮০৫)
তারিণীচরণ মিত্র'ওরিয়েন্টাল ফেবুলিস্ট' (১৮০৩): এটি অনূদিত গ্রন্থ।
চণ্ডীচরণ মুনশী'তোতা ইতিহাস' (১৮০৫): এটি ফারসি 'তোতা কাহিনী'র হিন্দুস্থানী অনুবাদ 'তোতা কহানী অবলম্বনে রচিত।
হরপ্রসাদ রায়'পুরুষ পরীক্ষা' (১৮১৫): এটি সংস্কৃত ভাষায় রচিত বিদ্যাপতির 'পুরুষপরীক্ষা' গ্রন্থের অনুবাদ।
গোলকনাথ শর্মা'হিতোপদেশ' (১৮০২): এটি সংস্কৃত 'হিতোপদেশ' গল্পের বই থেকে অনূদিত গ্রন্থ।
Content added By

# বহুনির্বাচনী প্রশ্ন

ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর

ভূদেব মুখোপাধ্যায়

রাজা রামমোহন রায়

মৃত্যুঞ্জয় বিদ্যালঙ্কার

হিন্দু কলেজ ও ইয়ংবেঙ্গল

1.6k

বাংলা সাহিত্যের বিকাশে যেসব শিক্ষা-প্রতিষ্ঠান গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে তার মধ্যে রাজা রামমোহন রায়ের প্রচেষ্টায় এবং ডেভিড হেয়ারের সহায়তায় ২০ জানুয়ারি, ১৮১৭ সালে প্রতিষ্ঠিত কলকাতার 'হিন্দু কলেজ' বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য। এ কলেজ প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে কলকাতার মধ্যবিত্ত সমাজের সন্তানেরা আধুনিক শিক্ষা গ্রহণের যথার্থ সুযোগ লাভ করে। এ কলেজের সবচেয়ে বড় বৈশিষ্ট্য ছিল ধর্মনিরপেক্ষ শিক্ষা প্রবর্তন করা। ১৫ এপ্রিল, ১৮৫৫ সালে হিন্দু কলেজের পরিসমাপ্তি ঘটে এবং এর স্থলাভিষিক্ত হয় প্রেসিডেন্সি কলেজ। ১৫ জুন, ১৮৫৫ সালে প্রেসিডেন্সি কলেজের যাত্রা শুরু হয়। হেনরি লুই ভিভিয়ান ডিরোজিও ছিলেন হিন্দু কলেজের তরুণ শিক্ষক এবং 'ইয়ংবেঙ্গল' আন্দোলনের প্রবক্তা।

  • হিন্দু কলেজ প্রতিষ্ঠিত হয় ১৮১৭ সালে।
ইয়ংবেঙ্গল

ইয়ংবেঙ্গল আত্মপ্রকাশ করে ১৮৩১ সালে। যুক্তি ও মানবাধিকারের দীপ্ত বাণীর শপথে ইংরেজি ভাবধারাপুষ্ট বাঙালি যুবক। 'আস্তিকতা হোক, নাস্তিকতা হোক, কোন জিনিসকে পূর্ব থেকে গ্রহণ না করা; জিজ্ঞাসা ও বিচার'- এ মন্ত্রে যারা উজ্জীবিত ছিল তারাই ইয়ংবেঙ্গল। ডিরোজিওর আদর্শে অনুপ্রাণিত ইয়ংবেঙ্গল ছাত্রগোষ্ঠী সর্বগ্রাসী ক্ষুধায় ইউরোপীয় ভাবচিন্তাকে আত্মস্থ করেছিলেন। ছাত্র হিসেবে সকলেই ছিলেন প্রতিভাবান, ইংরেজি শিক্ষার প্রতি প্রবল আগ্রহী এবং ধর্মীয় গোড়ামীর ব্যাপারে অত্যন্ত সমালোচনামুখর। বিবিধ সংবাদপত্র পরিচালনা, পুস্তিকা রচনা, শিক্ষা বিস্তার, বিতর্ক, রাজনৈতিক ও সামাজিক সংস্কারে তারা ছিলেন তৎপর।

ইয়ংবেঙ্গলের মুখপত্র / পত্রিকা-

পত্রিকা

সম্পাদক

এনকোয়ারকৃষ্ণমোহন বন্দ্যোপাধ্যায়
'জ্ঞানান্বেষণ''জ্ঞানান্বেষণ'
  • ইয়ংবেঙ্গলের প্রতিষ্ঠাতা/ মন্ত্রগুরু: হেনরি লুই ভিভিয়ান ডিরোজিও। তিনি মাত্র ১৭ বছর বয়সে ১৮২৬ সালে এ কলেজে যোগ দেন। ২৩ এপ্রিল, ১৮৩১ সালে কলেজ কর্তৃপক্ষ ডিরোজিওকে পদত্যাগ করতে পত্র দেন এবং ২৫ এপ্রিল, ১৮৩১ সালে তিনি পদত্যাগ করেন। ডিরোজিও ২৬ ডিসেম্বর, ১৮৩১ সালে মৃত্যুবরণ করেন।
ইয়ংবেঙ্গলের সদস্য:

কৃষ্ণমোহন বন্দ্যোপাধ্যায়, রামগোপাল ঘোষ, রামতনু লাহিড়ী, প্যারীচাঁদ মিত্র, তারাচাঁদ চক্রবর্তী প্রমুখ। এরা সবাই ছিলেন মুক্তচিন্তা দ্বারা উজ্জীবিত। হিন্দু সমাজে বিদ্যমান সামাজিক ও ধর্মীয় কাঠামো এদেরকে বিদ্রোহী করে তুলেছিল। প্রাচীন ও ক্ষয়িষ্ণু প্রথা তথা ধর্মীয় সংস্কার ও সামাজিক শৃঙ্খলমুক্তির উল্লেখযোগ্য প্রয়াস হিসেবে ইয়ংবেঙ্গলের সদস্যগণ গো-মাংস ভক্ষণ ও মদ্যপানে আনন্দবোধ করতেন। মাইকেল মধুসূদন দত্ত হিন্দু কলেজের ছাত্র থাকাবস্থায় ডিরোজিওর আদর্শে অনুপ্রাণিত হন। সমাজের প্রচলিত কুসংস্কারকে পদানত করে মাইকেল মধুসূদন দত্ত ইউরোপীয় চিন্তা-চেতনায় উজ্জীবিত হয়ে সমাজের ধর্মান্ধতা ও গোড়ামী দূর করার জন্য কলম ধরেন। পরবর্তীতে ইয়ংবেঙ্গল গোষ্ঠীর সদস্যরা ডিরোজিওর আদর্শ থেকে বিচ্যুত হলে তিনি নব্য ইয়ংবেঙ্গলদের অনাচার ও উচ্ছৃঙ্খলতাকে কটাক্ষ করে ১৮৫৯ সালে রচনা করেন বিখ্যাত প্রহসন 'একেই কি বলে সভ্যতা'।

Content added By

মোহামেডান লিটারেরি সোসাইটি

1.4k

১৭৫৭ সালের পলাশীর যুদ্ধে নবাব সিরাজদ্দৌলার পতনের পর ইংরেজ শাসকদের সঙ্গে পরিপূর্ণ সহযোগিতার জন্য এদেশীয় হিন্দুরা জীবনের বিবিধ ক্ষেত্রে নিজেদের প্রতিষ্ঠা করার সঙ্গে সঙ্গে সাহিত্যক্ষেত্রেও সুযোগ্য স্থান লাভ করতে সক্ষম হয়েছিল। তাই বাংলা সাহিত্যের আধুনিক যুগের প্রাথমিক পর্যায়ে সাহিত্যের যে বিচিত্র বিকাশ হয়েছে তা প্রধানত হিন্দু সাহিত্যিকদের প্রচেষ্টার ফল।

আবদুল লতিফ 'মহামেডান লিটারেরি সোসাইটি' নামে ১৮৬৩ খ্রিস্টাব্দে একটি সাহিত্য সমিতি গঠন করেন। মুসলমানেরা ইংরেজি শিক্ষায় শিক্ষিত হোক, স্বাধীন চিন্তাধারার বিকাশ ও স্বকীয় অবস্থার পর্যালোচনার মাধ্যমে জাতীয় জীবনের উন্নতি সাধন করুক--এই ছিল সমিতির উদ্দেশ্য। এই সমস্ত প্রচেষ্টার ফলেই দেখা যায়, মুসলমানেরা বাংলা সাহিত্যের সাধনায় আত্মনিয়োগ করে নিজস্ব বৈশিষ্ট্য প্রকাশে একান্তই তৎপর হয়ে ওঠে এবং আধুনিক বাংলা সাহিত্যে প্রতিষ্ঠা লাভ করতে সক্ষম হয়।

Content added By

বঙ্গীয় মুসলমান সাহিত্য সমাজ

1.6k

বাঙালি মধ্যবিত্তের সাহিত্যচর্চা ও সাধনার পীঠভূমি 'বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষদ' প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল ১৮৯৫ সালে। সেখানে মুসলমানদের গুরুত্ব উপেক্ষিত হওয়ায় ১৯১১ সালে প্রতিষ্ঠিত হয় 'বঙ্গীয় মুসলমান সাহিত্য সমিতি'। এর প্রতিষ্ঠাতাদের মধ্যে অন্যতম ছিলেন ডঃ মুহম্মদ শহীদুল্লাহ, মুহম্মদ মোজাম্মেল হক, কাজী ইমদাদুল হক, মওলানা আকরাম খাঁ, কমরেড মুজাফফর আহমেদ প্রমুখ। এই সমিতির পত্রিকা ছিল বঙ্গীয় মুসলিম সাহিত্য পত্রিকা। এই সমিতির অফিস ছিল কলকাতার ৩২ নং কলেজ স্ট্রিটে।

Content added By

ঢাকা মুসলিম সাহিত্য সমাজ

1.6k

'জ্ঞান যেখানে সীমাবদ্ধ, বুদ্ধি সেখানে আড়ষ্ট, মুক্তি সেখানে অসম্ভব' স্লোগানকে ধারণ করে চিন্তাচর্চা ও জ্ঞানের জন্য আকাঙ্ক্ষা সৃষ্টি এবং আবহমানকালের চিন্তা ও জ্ঞানের সাথে সংযোগ সাধনের লক্ষ্যে ঢাকা ইন্টারমিডিয়েট কলেজ ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কয়েকজন যুক্তিবাদী ও প্রগতিশীল শিক্ষক ও ছাত্রের উদ্যোগে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মুসলিম হল ইউনিয়ন কক্ষে বাংলা ও সংস্কৃত বিভাগের অধ্যাপক ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহর সভাপতিত্বে ১৯২৬ সালের ১৯ জানুয়ারি 'ঢাকা মুসলিম সাহিত্য সমাজ' প্রতিষ্ঠিত হয়।

Key Notes:

  • ১৯১১ সালে 'বঙ্গীয় মুসলমান সাহিত্য সমাজ' প্রতিষ্ঠিত হয় এবং এর প্রথম সম্পাদক ছিলেন ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ। কিন্তু এতে মুসলমানদের গুরুত্ব উপেক্ষিত হওয়ায় ১৯২৬ সালে ঢাকায় 'ঢাকা মুসলিম সাহিত্য সমাজ' প্রতিষ্ঠিত হয়।
  • ঢাকা মুসলিম সাহিত্য সমাজ এর মাধ্যমে বুদ্ধির মুক্তি আন্দোলনের সুত্রপাত হয় ।
  • 'ঢাকা মুসলিম সাহিত্য সমাজ' এর প্রধান লেখক কাজী আবদুল ওদুদ, আবুল হোসেন, কাজী মোতাহার হোসেন, মুহম্মদ আব্দুর রশীদ, আবুল ফজল প্রমুখ।
  • ঢাকা মুসলিম সাহিত্য সমাজ সংগঠনের মুখপত্রের নাম শিখা। এটি ১৯২৭ সালে আবুল হোসেনের সম্পাদনায় প্রথম প্রকাশিত হয়।
Content added By

# বহুনির্বাচনী প্রশ্ন

১৯ ফেব্রুয়ারী ১৯২২
১৯ জানুয়ারী ১৯২৬
১৯ মার্চ ১৯২৬
২৬ মার্চ ১৯২৭

বাংলাদেশ এশিয়াটিক সোসাইটি

1.5k

১৮৬০ সালের সোসাইটিজ রেজিস্ট্রেশন অ্যাক্টের অধীনে নিবন্ধিত একটি অরাজনৈতিক, বেসরকারি ও অলাভজনক সংস্থা বাংলাদেশ এশিয়াটিক সোসাইটি। এটি এশিয়ার মানুষ ও প্রকৃতি বিষয়ে গবেষণার লক্ষ্যে প্রতিষ্ঠিত হয়।

বাংলাদেশ এশিয়াটিক সোসাইটি প্রতিষ্ঠিত হয় ১৭৮৪ সালে কলকাতায়। ভারত বিভাগের পর ৩ জানুয়ারি, ১৯৫২ সালে এর নামকরণ হয় 'পাকিস্তান এশিয়াটিক সোসাইটি'। স্বাধীনতার পর নামকরণ হয় 'বাংলাদেশ এশিয়াটিক সোসাইটি'।

  • এশিয়াটিক সোসাইটি প্রতিষ্ঠা করেন স্যার উইলিয়াম জোন্স।
  • বাংলাপিডিয়া প্রকাশিত হয় ১৪ খণ্ডে ২০০৩ সালে বাংলাদেশ এশিয়াটিক সোসাইটির উদ্যোগে প্রকাশিত হয়।
  • বাংলাপিডিয়া'র প্রধান সম্পাদক অধ্যাপক ড. সিরাজুল ইসলাম।
  • বাংলাদেশ এশিয়াটিক সোসাইটি'র প্রতিষ্ঠাকালীন
    • সভাপতি ছিলেন : আবদুল হামিদ (১৯৫২-৫৩)।
    • সাধারণ সম্পাদক ছিলেন: ড. আহমদ হাসান দানী (১৯৫২-৫৩)।

বাংলাদেশ এশিয়াটিক সোসাইটি'র বর্তমান সভাপতি অধ্যাপক হারুন অর রশিদ ও সাধারণ সম্পাদক: অধ্যাপক ছিদ্দিকুর রহমান খান ।

বাংলাদেশ এশিয়াটিক সোসাইটির মূল উদ্দেশ্য:

অতীতকাল হতে বর্তমান পর্যন্ত বাংলাদেশের ইতিহাস, ঐতিহ্য, সমাজ, দর্শন, অর্থনীতি প্রভৃতি বিষয়ের গবেষণামূলক জ্ঞান উপস্থাপন করা।

Content added By

বাংলা একাডেমি

1.6k

১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলন এবং এদেশের মুসলিম মধ্যবিত্তের জাগরণ ও আত্মপরিচয় বিকাশের প্রেরণায় বাংলা একাডেমি প্রতিষ্ঠিত হয়। বিশ শতকের প্রথমদিকে বাঙালি মুসলমান মধ্যবিত্ত শ্রেণির বিকাশ সূচিত হয়। সংখ্যাগরিষ্ঠ হওয়া সত্ত্বেও মুসলমানরা ছিল জ্ঞান-বিজ্ঞান ও শিক্ষা-দীক্ষায় অনগ্রসর। এ অবস্থা অতিক্রম করার প্রয়াসে লেখক-পণ্ডিত-গবেষকদের দৃষ্টি পড়ে বাংলা ভাষা-সাহিত্য-সংস্কৃতির প্রতি। ১৯২৫ সালে কলকাতায় বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষদে মহামহোপাধ্যায় হরপ্রসাদ শাস্ত্রীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ বাংলা ভাষার গবেষণা ও সাহিত্যচর্চার প্রস্তাব করেন। বিভাগোত্তরকালে ১৯৪৮ সালের ৩১ ডিসেম্বর ঢাকায় পূর্ব পাকিস্তান সাহিত্য সম্মেলনে মূল সভাপতির অভিভাষণে শহীদুল্লাহ একটি একাডেমি গড়ার কথা বলেন। পরবর্তীতে ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনের ফলে বাংলা ভাষা-সাহিত্য-সংস্কৃতির গবেষণা ও চর্চার কেন্দ্ররূপে বাংলা একাডেমি প্রতিষ্ঠার দাবি আরও জোরালো হয়। অবশেষে ১৯৫৫ সালের ৩ ডিসেম্বর ঐতিহাসিক বর্ধমান হাউসে (স্থাপিত-১৯০৬) বাংলা একাডেমি প্রতিষ্ঠিত হয় যা উদ্বোধন করেন যুক্তফ্রন্ট সরকারের মুখ্যমন্ত্রী আবু হোসেন সরকার।

Key Notes:

  • বাংলা ভাষা বিষয়ক বৃহৎ গবেষণা প্রতিষ্ঠান বাংলা একাডেমি। এটি ৪টি বিভাগ নিয়ে গঠিত। এটিকে বলা হয় 'জাতির মননের প্রতীক'।
  • বাংলা একাডেমি প্রতিষ্ঠিত হয় ভাষা আন্দোলনের প্রেক্ষাপটে ৩ ডিসেম্বর, ১৯৫৫ সালে। বাংলা একাডেমি শব্দের বানান 'একাডেমী' থেকে 'একাডেমি'তে রূপান্তরিত হয় ১৫ সেপ্টেম্বর, ২০১৩ সালে।
  • 'The Bengali Academy Act-1957' আইনে বাংলা একাডেমি স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানের মর্যাদা পায় ।
  • বাংলা একাডেমি ভবনের পুরাতন নাম বর্ধমান হাউস।
  • বাংলা ভাষা ও সাহিত্য ক্ষেত্রে বিশেষ অবদানের জন্য ১৯৬০ সাল থেকে 'বাংলা একাডেমি পুরস্কার' চালু করা হয়।
  • বাংলা একাডেমি থেকে প্রকাশিত পত্রিকা ৬টি।
  • বাংলা একাডেমি'র বানান অভিধানের সম্পাদক জামিল চৌধুরী।

বাংলা একাডেমি'র পত্রিকার নাম

পত্রিকার বিষয়

বাংলা একাডেমি'র প্রথম ও বর্তমান...

বাংলা একাডেমি পত্রিকা (ত্রৈমাসিক)গবেষণামূলকপ্রথম সভাপতিমওলানা আকরম খাঁ
উত্তরাধিকার (মাসিক)সৃজনশীল সাহিত্যপ্রথম পরিচালকড. মুহাম্মদ এনামুল হক
ধান শালিকের দেশ (ত্রৈমাসিক)কিশোর সাহিত্যপ্রথম মহাপরিচালকড. মযহারুল ইসলাম
বাংলা একাডেমি বিজ্ঞান পত্রিকা (ষাণ্মাষিক)বিজ্ঞান বিষয়কপ্রথম মহিলা মহাপরিচালকড. নীলিমা ইব্রাহিম
বার্তা (মাসিক)মুখপত্রবর্তমান সভাপতিআবুল কাসেম ফজলুল হক
বাংলা একাডেমি জার্নাল (ষাণ্মাষিক)-বর্তমান মহাপরিচালকমোহাম্মদ আজম

Content added By

# বহুনির্বাচনী প্রশ্ন

কার্জন হল
ফজলুল হক হল
লালবাগের কেল্লা
বাংলা একাডেমী

বর্ধমান হাউজ

বাংলা ভবন

আহসান মঞ্জিল

চামেলি হাউজ

মুসলমান গদ্য লেখক

57

খোন্দকার শামসুদ্দিন মুহম্মদ সিদ্দিকী

  • ১৯ শতকের সাহিত্যিক।
  • প্রথম মুসলমান গদ্য লেখক।
  • গ্রন্থের নাম 'উচিত শ্রবণ' (১৮৬০)।

জীবনচরিত (সীরাত গ্রন্থ): হযরতের জীবনী

গিরিশচন্দ্র সেন

মহাপুরুষচরিত: হযরতের জীবনী সংক্রান্ত প্রথমগ্রন্থ।
মাওলানা আকরাম খাঁ

প্রবন্ধ

মোস্তফা চরিত: শ্রেষ্ঠ রচনা।
শেখ আব্দুর রহিমহযরত মুহম্মদের জীবনচরিত ও ধর্মনীতি
ইয়াকুব আলী চৌধুরীমানব মুকুট, নূরনবী (ছোটদের জন্য)
গোলাম মোস্তফাবিশ্বনবী
মোঃ ওয়াজেদ আলীমরুভাস্কর
কাজী নজরুল ইসলাম

কাব্যগ্রন্থ

মরুভাস্কর (অসম্পূর্ণ জীবনী)
মোজাম্মেল হকহযরত মোহাম্মদ
শেখ ফজলুল করিমপরিত্রাণ কাব্য
আব্দুর রহমান খাঁ

শেষনবী
Content added By
Promotion
NEW SATT AI এখন আপনাকে সাহায্য করতে পারে।

Are you sure to start over?

Loading...